থানা হাজতে ধর্ষণ : খুলনা জিআরপি থানার ওসিসহ দুজন ক্লোজড

খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানা হাজতে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গণি পাঠান ও এসআই নাজমুল হককে ক্লোজ করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে গতকাল তাদের খুলনা জিআরপি থানা থেকে ক্লোজ করে পাকশী জেলা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান কুষ্টিয়া রেলওয়ে সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে তদন্ত কমিটির সদস্যরা গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো খুলনায় অবস্থান করে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়েছেন। তবে ধর্ষণের শিকার ওই নারী কারাগারে থাকায় তার বক্তব্য নিতে পারেননি তারা। এমনকি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেননি।

তদন্ত কমিটির প্রধান এএসপি ফিরোজ আহমেদ জানান, মঙ্গলবার দুপুর থেকে তদন্ত কমিটির সদস্যরা খুলনা জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেন। তদন্তকালে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের কারণে পুলিশ বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়া এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ওসি উছমান গণি পাঠান ও এসআই নাজমুল হককে ক্লোজ করা হয়েছে। বাকি তিন পুলিশ সদস্য এসআই গৌতম কুমার পাল, কনস্টেবল মিরাজ ও হারুনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ফিরোজ আহমেদ বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই নারী কারাগারে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া এ বিষয়ে আদালতের কোনো নির্দেশনাও তাদের কাছে নেই। তবে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে ওই নারীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তদন্ত কমিটি কথা বলবে।

আরও