অনুরাগ কাশ্যপ নিজেকে এমন এক স্রোতে ভাসিয়েছেন, যা ভারতীয় সিনেমার চিত্রপটকে চিরতরে বদলে দিতে পারে। দেশটিতে আছে ৫০ কোটি ইন্টারনেট সাবস্ক্রাইবার। ভারতের বাজারে নেটফ্লিক্স ও অ্যামাজন প্রবেশ করে ২০১৬ সালে। এর পর থেকে এ সাইটগুলো দেশটিতে নিজেদের বাজার সফলতার সঙ্গে সম্প্রসারণ করেছে
অ্যামাজন ও নেটফ্লিক্সের মতো বড় স্ট্রিমিং মিডিয়া বলিউডকে ঝাঁকি দিচ্ছে ভালোভাবেই। কারণ যৌনতা, সহিংসতার এমন মাত্রা এসব মিডিয়া দেখাতে পারছে, যা বড় পর্দার বলিউড সহজে দেখাতে পারে না।
অনুরাগ কাশ্যপের কথায়, “ভারতীয় সিনেমায় তিনটি বড়” ‘না’ রয়েছে—যৌনতা, ধর্ম ও রাজনীতি। এবং স্যাকরেড গেমসে আমরা এ তিন বিষয় নিয়েই কাজ করেছি।” নেটফ্লিক্সের তুমুল আলোচিত সিরিজ স্যাকরেড গেমস পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন কাশ্যপ। স্যাকরেড গেমস দর্শকদের যা উপহার দিয়েছে, তা বলিউডে সচরাচর পাওয়া যায় না। বলা হচ্ছে স্যাকরেড গেমস আমেরিকার ক্রাইম ড্রামা সিরিজ নারকোসের ভারতীয় সংস্করণ। দুটোতেই স্থানীয় ইতিহাস, রাজনীতির বাস্তব পরিস্থিতির ছাপ আছে। রাজনীতি, পুলিশের দুর্নীতি, সংঘবদ্ধ অপরাধ, ধর্মীয় উত্তেজনা, পারমাণবিক সন্ত্রাস—এসবই সিরিজগুলোর বিষয়বস্তু। স্যাকরেড গেমসে সাইফ আলী খান ছিলেন একজন শিখ গোয়েন্দার চরিত্রে। তিনি মুম্বাইয়ে একটি সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় তদন্তে নামেন। অন্যদিকে উত্থান হচ্ছিল ক্যারিশম্যাটিক কিন্তু নৃশংস এক গ্যাংস্টারের (নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী)। সিরিজে রক্তপাত, যৌনতা ও সহিংসতা হরদম দেখা গেছে। ‘আপনি মূলধারার ছবিতে এসব দেখাতে পারবেন না। এখানে প্রচলিত আছে, সিনেমা হল পারিবারিক বিষয়, সামাজিক বিনোদন। এখন পরিবার নিয়ে বসে তো আর আপনি স্যাকরেড গেমস দেখতে পারবেন না’—বলেন অনুরাগ কাশ্যপ।
কাশ্যপকে বলা যায় ভারতীয় সিনেমার বাউণ্ডুলে। ১৫ বছর ধরে তিনি বাণিজ্যিক মূলধারার বাইরে কাজ করে যাচ্ছেন। লিখছেন, পরিচালনা করছেন এবং কম বাজেটের চিন্তা উদ্রেককারী ছবি প্রযোজনা করছেন।
এবার অনুরাগ কাশ্যপ নিজেকে এমন এক স্রোতে ভাসিয়েছেন, যা ভারতীয় সিনেমার চিত্রপটকে চিরতরে বদলে দিতে পারে। দেশটিতে আছে ৫০